২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেটে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পুরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারাতে প্রধান প্রধান পরিবর্তন সমূহ।

Home/VAT/২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেটে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পুরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারাতে প্রধান প্রধান পরিবর্তন সমূহ।

২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেটে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পুরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারাতে প্রধান প্রধান পরিবর্তন সমূহ।

20-21- Budget Change (Final)
১. অর্থ আইন মোতাবেক ধারা ২ প্রতিস্থাপিত ও সন্নিবেশিত
১.১ অর্থ আইন মোতাবেক ধারা ২ এরং দফা ১৭ প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
১.২ একই ধারার দফা ১৮ এর পরে দফা (১৮ক) সন্নিবেশিত হয়েছে। এটি নতুন ধারা এই ধারাতে উপকরনের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে যা পূর্বে ছিল না।
১.৩ দফা ১৯ নতুন প্রতিস্থাপিত হয়েছে, এটি উপকর কর এর সংজ্ঞা ।
১.৪ দফা ৩৮ নতুন প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
১.৫ দফা ৪০ প্রতিস্থাপিত হয়েছে, এটি চালানপত্র বিষয়।
১.৬ দফা ৫৭ নতুন প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
১.৭ দফা ৬২ এর উপদফা ক শব্দ নতুন প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
১.৮ দফা ৬২ এর উপদফা ক শব্দ নতুন প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
১.৯ দফা ৭৪ এর উপদফা চ এর পরে নতুন উপদফা ছ সংযোজিত হয়েছে।
১.১০ দফা ৮২ এর উল্লেখিত পণ্য শব্দটি বিলুপ্ত হয়েছে।
১.১১ দফা ১০৩ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এটি হ্রাককারী সমন্বয় বিষয়ে।

২. ধারা ৫ সংশোধন হয়েছে। এটি মূসক নিবন্ধন এবং র্টানওভারকর তালিকাভুক্তি বিষয়ে ।

৩. ধারা ৮ সংশোধন হয়েছে। এটি স্বেচ্ছা মূসক নিবন্ধন বিষয়ে।

৪. ধারা ১২ সংশোধন হয়েছে। এটি কমিশনার কর্র্তৃক স্ব-উদ্দ্যোগে নিবন্ধনযোগ্য ও তালিকা ভুক্তিযোগ্য ব্যাক্তিকে নিবন্ধন বা তালিকাভুক্তিকরন বিষয়ে।

৫. ধারা ৩১ সংশোধন হয়েছে। এটি আমদানীকালে আগামকর পরিশোধ ও সমন্বয় বিষয়ে। এই ধারাতে বোর্ড কর্তৃক শর্ত প্রতিপালন করে উৎপাদনকারীদের জন্য আমদানীকৃত উপকরনের ক্ষেত্রে আগামকর ৫% এর পরিবর্তে ৪% নির্ধারণ করা হয়েছে। এবং অন্যানা ক্ষেত্রে অর্থাৎ বানিজ্যিক আমদানীকারকদের ক্ষেত্রে পূর্বের ন্যায় আগামকর ৫%। একই সাথে এই ধারাতে হ্রাসকারী সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ২ কর মেয়াদের পরিবর্তে ৪ কর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে।

৬. ধারা ৩২ এ উপধারা ২ সংযোজন হয়েছে। এটি করযোগ্য সরবরাহের মূল্য নির্ধারণ বিষয়ে।

৭. ধারা ৩৩ এর উপধারা ৩  সংশোধন হয়েছে। মূলত সরকারী সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের মূসক পরিশোধের ৬০ দিনের পরিবর্তে ৯০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

৮. ধারা ৪৬ এর  সংশোধন হয়েছে। এটি উপকরন কর রেয়াত বিষয়ে।

৮.১ এই ধারার উপধারা ১(গ) এর রেয়াত গ্রহনের ক্ষেত্রে ২ কর মেয়াদের পরিবর্তে ৪ কর মেয়াদ করা হয়েছে, অর্থাৎ আগামী ১ জুুলাই থেকে রেয়াত গ্রহনের ক্ষেত্রে ৪ কর মেয়াদ প্রযোজ্য হবে।
৮.২ এই ধারার উপধার ১(ঙ) সংশোধন শব্দ সংযোজন হয়েছে। অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে কেবল ক্রয় হিসাব বহি এর সাথে ক্রয়-বিক্রয় বহিতে লিপিবদ্ধ করে রেয়াত নেওয়া যাবে।

৮.৩ এই ধারাতে ১(ড) এর পরে নতুন ১(ঢ) উপধারা সংযোজিত হয়েছে।

৮.৪ এই ধারার উপধারা ২ এর দফা ঘ প্রতিস্থাপন হয়েছে।

৮.৫ এই ধারার উপধারা ৩ এর দফা ঘ এর ধারা ২০(৫) এর পরিবর্তে ২০(২) প্রতিস্থাপিত হবে। পাশাপাশি দফা ঘ এর পরি নতুন দফা ঙ সংযোজিত হবে।

৯. ধারা ৪৭ সংশোধন হয়েছে। এটি অংশিক উপকরণ কর রেয়াত বিষয়ে।

১০. ধারা ৪৮ সংশোধন হয়েছে। এটি সমন্বয় বিষয়ে। অর্থাৎ বৃদ্ধিকারী ও হ্রাসকারী সম্বয় এর বিষয়ে নতুন আইন প্রতিস্থাপন হয়েছে।

১১. ধারা ৪৯ সংশোধন হয়েছে। এই ধারার উপধারা ১ উপধারা ২ প্রতিস্থাপন হয়েছে। পাশাপাশি নতুন একটি উপধারা ৫ সংযোজিত হয়েছে। এই ধারাটি উৎসে কর কর্তনকারী স্বত্তা কর্তৃক উৎসে কর কর্তন ও বৃদ্ধিকারী সমন্বয় বিষয়ে।

১২. ধারা ৫০ এর উপধারা ৩ সংশোধন হয়েছে। এই ধারাতে সনদ (মূসক ৬.৬) ব্যাতীত হ্রাসকারী সমন্বয় যোগ্য হবে না।

১৩. ধারা ৫৩ এর প্রতিস্থাপন  হয়েছে। এই ধারাটি সম্বনিত কর চালানপত্র এবং উৎসে কর কর্তন সনদপত্র বিষয়ে।

১৪. ধারা ৬৪ এর সংশোধন হয়েছে। এই ধারাটি মাসিক দাখিল পত্রে বিষয়ে।

১৪.১ উপধারা ৬৪(১) পূর্বে এই ধারাতে পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখ সরকারী ছুটি থাকলে তার আগের দিন দাখিল পত্র দাখিলে শেষ সময় ছিল। বর্তমানে তা সংশোধন হয়ে ১৫ তারিখ সরকারী ছুটি থাকিলে তার পরবর্তী কার্যদিবসে মাসিক দাখিলপত্র দাখিল করা যাবে।
১৪.২ এই ধারাতে উপধারা ৬৪(১) এর পরে নতুন উপধারা ১(ক) ও ১(খ) নতুন ভাবে সংযোজিত হয়েছে। এটি মূলত করোনা পরিস্থিতি/প্রাকৃতিক দূর্যোগ এর কারনে বোর্ড সুদ ও জরিমানা ব্যাতীত মাসিক দাখিল পত্রে জমার সময় বৃদ্ধি করিতে পারিবে।

১৫. ধারা ৬৮ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এটি ঋণাত্মক নীট অর্থ জের টানা ও ফেরত প্রদান বিষয়ে।

১৬. ধারা ৭১ উপধারা ১ সংশোধন হয়েছে। এই উপধারাটিতে কমিশনার শব্দ এর পরিবর্তে কমিশনার বা মহা-পরিচালক শব্দ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এটি মূলক কূটনৈতিক এবং অনান্য অন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত কর ফেরত প্রদান বিষয়ে।

১৭. ধারা ৭৩ সংশোধন হয়েছে। এই ধারাটি কর নির্ধারন বিষয়ে। এই ধারার উপধারা ৪ এর পরে নতুন উপধারা ৫ সংযোজিত হয়েছে।

১৮. ধারা ৭৬ সংশোধন হয়েছে। এই ধারাটি কর সুবিধা প্রদান ও রদকরন বিষয়ে। এ ধারাটিতে উপধারা ১ প্রতিস্থাপন হয়েছে।

১৯. ধারা ৮৩ সংশোধন হয়েছে। এই ধারাটি মূসক কর্মকতা প্রবেশ ও তল্লাশির ক্ষমতা বিষয়ে। উপধারা ৩ এর পরে নতুন উপধারা ৪ সংযোজিত হয়েছে। এই নতুন ধারাটি রাজস্ব কর্মকর্তা (জঙ) ব্যাবসাস্থল পরিদর্শনে এবং মজুদ পণ্য, সেবা উপকরন ও হিসাব পরীক্ষা করিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে এই ধারার উপধারা (১) প্রযোজ্য হবে না।

২০. ধারা ৮৬ সংশোধন হয়েছে। এই ধারাতে উপধারা ২ এর পরে নতুন উপধারা ৩ সংযোজিত হয়েছে। এটি বিচার বা ন্যয় নির্ণায়ন বিষয়ে।

২১. ধারা ৯৫ সংশোধন হয়েছে। এই ধারাতে উপকমিশনারের পরিবর্তে সহকারী কমিশনার প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এই ধারাটি বকেয়া কর আদায় বিষয়ে ।

২২. ধারা ১২১ (২) সংশোধন হয়েছে। এই ধারাটি কমিশনার বরাবর আপীল দাখিল বিষয়ে। এই ধারাটিতে পুূূূর্বে আপীল দাখিলের ক্ষেত্রে দাবীকৃত অর্থের/মূসক এর ১০% অগ্রীম মূসক জমার পরিবর্তে ২০% অগ্রীম মূসক জমা দিয়ে আপিল করতে হবে।  এই ধারাতে উপকমিশনারের পরিবর্তে সহকারী কমিশনার প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

২৩. ধারা ১২২ (২) সংশোধন হয়েছে। এই ধারাটি আপিলাত ট্রাইবুনাল বরাবর আপীল দাখিল বিষয়ে। এই ধারাটিতে পর্বে আপীল দাখিলের ক্ষেত্রে দাবীকৃত অর্থের/মূসক এর ১০% অগ্রীম মূসক জমার পরিবর্তে ২০% অগ্রীম মূসক জমা দিয়ে আপিল করতে হবে।
নোট ঃ নতুন এই আইন মোতাবেক বিভাগীয় কর্মকতা কর্তৃক আদেশের বিপরীতে কমিশনার বরাবর আপীল আবেদেনের ক্ষেত্রে দাবীকৃত অর্থের ২০% অগ্রীম জমা করতে হবে। এই মামলায় কমিশনার কর্তৃক আদেশে সংক্ষৃব্ধ হয়ে অপীলাত ট্রাইবুনাল বরাবর আপীলের ক্ষেত্রে আবার-ও দাবীকৃত অর্থের ২০% অগ্রীম জমা করতে হবে। টিক এই মামলা ট্রাইবুনাল কর্তৃক খারিজ হলে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল এর জন্য দাবীকৃত অর্থের ১০% অগ্রীম জমা করতে হবে। অর্থাৎ সর্বমোট ৫০% জমা করে আপীল মামলা চালাতে হতে পারে।

২৪. এই ধারা ১২৬ সংশোধন হয়েছে। এই ধারাটি অব্যাহতি বিষয়ে।

২৫. এই ধারা ১৩০(২) প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এই ধারাটি মূসক পরামর্শক বিষয়ে। এই ধারাতে বোর্ড বিধিমালা ও এসআরও দিয়ে মূসক পরামর্শক নিয়োগের ক্ষেত্রে আবেদন ফরম মূসক-১৮.১ পরিবর্তন করেছে। পাশাপাশি আবেদনের ক্ষেত্রে ১০,০০০/- টাকার পরিবর্তে ৫,০০০/- টাকা ফি নির্ধারণ করেছে। পুরাতন আইন মোতাবেক পূর্বে বছরে ২টি মেয়াদে মূসক পরামর্শক নিয়োগের বিধান বিলুপ্ত করে বোর্ড/মহাপরিচালক বছরে এক বা একাধিক মেয়াদে মূসক পরামর্শক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারবেন, অথবা প্রয়োজন মনে করলে বছরে পরামর্শক নিয়োগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহন না-ও করতে পারবেন।

২৬. আইনের প্রথম তফসিলের সংশোধ হয়েছে।

২০২০-২০২১ অর্থ বছরের বাজেটে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পুরক শুল্ক আইন ২০১২ এর বিধিমালাতে প্রধান প্রধান পরিবর্তন সমূহ।

১. বিধিমালা ৭ সংশোধন হয়েছে, এটি কমিশনার কর্তৃক স্ব-উদ্দোগে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্তিকরণ বিষয় ছিল, যা পরিবর্তন হয়ে বিভাগীয় কর্মকর্তা হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে বিভাগীয় কর্মকর্তা কর্তৃক স্ব-উদ্দোগে নিবন্ধিত বা তালিকাভুক্তিকরণ করতে পারিবেন।
২. বিধিমালা ৮ এর উপবিধি ১ এর ক থেকে ঘ বিলুপ্ত হয়েছে।
৩. বিধিমালা ৯ এর উপবিধি ১ বিলুপ্ত হয়েছে।
৪. বিধিমালা ১৯ সংশোধন হয়েছে। এই বিধিমালার আমদানী পর্যায়ে পরিশোধিত আগাম কর সমন্বয় ও ফেরত, উপবিধি ৩(খ) সংশোধন হয়েছে। এই সংশোধনে ৬০ দিনের পরিবর্তে ১২০ দিন প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এবং অনলাইনের পরিবর্তে অনলাইনে বা কাগুজে আবেদন করা যাবে।
৫. বিধিমালা ২১ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এই বিধিমালাটি ছিল উপকরণ-উৎপাদ সহগ ঘোষণা। এই বিধিমালায় ৭ কার্যদিবসের পরিবর্তে ১৫ কার্যদিবস প্রতিস্থাপিত হয়েছে এবং রপ্তানীকারন প্রতিষ্ঠানের জন্য সহগ ঘোষণা প্রদান করিতে হবে না।
৬. বিধিমালা ২৪ এর পরে নতুন বিধিমালা ২৪ক, ২৪খ, ২৪গ সন্নিবেশিত হয়েছে। এই নতুন বিধিমালা সমূহ হল
৬.১ ২৪ক- অব্যবহৃত বা ব্যবহারের অনুপযোগী উপকরনের নিষ্পত্তিকরণ বিষয়ে। এই বিধিমালাতে ফরম মূসক-১৮.৭ বিভাগীয় কর্মকতার দপ্তরে দাখিল করতে হবে।
৬.২ ২৪খ- দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসপ্রাপ্ত পণ্যের নিস্পত্তিকরণ। এই বিধিমালাতে ২ দিনের মধ্যে মূসক-১৮.৮ বিভাগীয় কর্মকতা দপ্তরে দাখিল করতে হবে।
৬.৩ ২৪গ- বর্জ্য (ওয়েস্ট) বা উপজাত (বাই-প্রোডাক্ট) পণ্যের সরবরাহ ও নিস্পত্তিকরণ
নোট ঃ এই বিধিমালা মূলত ১৯৯১ এর আদলে প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
৭ বিধিমালা ৪০ এর উপবিধি ১ এর দফা গ এর উপদফা উ এবং উপদফা (অঅ) এর পরিবর্তে নতুন অঅ প্রতিস্থাপতি হবে। অর্থাৎ মূসক-৬.৩ চালানের পরিবর্তন হয়েছে। এখন থেকে মূসক ৬.৩ চালানের যাবাহনের প্রকৃত ও নম্বর লিপিবদ্ধ করতে হবে। এবং চালানপত্রটি পণ্য পরিবহনের সময় মূসক ৬.৩ চালান যানবাহনের সাথে থাকতে হবে। পূর্বে আইনে এই বিষয়টি ছিল না।
৮ বিধিমালা ৪৭ উপ বিধি ৩ এর দফা খ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এ বিধিমালাটি ছিল দাখিলপত্র পেশ।
৯ বিধিমালা ৫৩ বিলুপ্ত হয়েছে।
১০ বিধিমালা ৫৫ সংশোধন হয়েছে।
১১ বিধিমালা ৬১(৫) প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এই বিধিমালাটি ছিল রেকর্ড দলিলপত্র পণ্য বা পণ্যবাহী যান জব্দকরণ। নতুন বিধিমালায় ৩ এবং ১৫ কার্যদিবস প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
১২ বিধিমালা ৬৮ সংশোধন হয়েছে।
১৩ বিধিমালা ৮৩ এর বকেয়া আদায় কর্মকর্তা শব্দগুলি বিপুপ্ত হয়েছে।
১৪ বিধিমালা ১০৯ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এই বিধিমালা মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রদান পদ্ধতি বিষয়ে। পূর্বের বিধিমালা থেকে বর্তমান বিধিমালায় মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রদান পদ্ধতি বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে।
১৫ বিধিমালা ১১০ এর উপবিধি ১ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এটি মূসক পরামর্শক লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য আবেদনকারীর যোগ্যতা নিরুপন প্রসঙ্গে।
১৬ বিধিমালা ১১১ এর দফা ঙ প্রতিস্থাপিত হয়েছে। সে মতে মূসক পরামর্শক লাইসেন্স গ্রহনের জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার টাকা।
১৭ পরে নতুন বিধিমালা ২৪ক, ২৪খ, ২৪গ সন্নিবেশিত হয়েছে।
১৭.১ এই নতুন বিধিমালা সমূহ হল ২৪ক অব্যবহৃত বা ব্যাহার অনুপযোগী উপকরনের নিস্পত্তিকরণ (মূসক ফরম ১৮.৭)
১৭.২ এই নতুন বিধিমালা সমূহ হল ২৪খ দূর্ঘটনায় ক্ষতিপ্রস্ত বা ধ্বংসপ্রাপ্ত পণ্যের নিস্পত্তিকরণ (মূসক ফরম-১৮.৮)
১৭.৩ এই নতুন বিধিমালা সমূহ হল ২৪গ বর্জ্য (ওয়েস্ট) বা উপজাত (বাই-প্রোডাক্ট পণ্যের সরবরাহ ও নিস্পত্তিকরণ
নোট ঃ এই বিধিমালা মূসক মূলত ১৯৯১ আইনের আদলে প্রনয়ন করা হয়েছে।
১৮ বিধিমালা ১১২ বিলুপ্ত হয়েছে। পূর্বে মূসক পরামর্শক লাইসেন্স এর মেয়াদ ছিল ৫ বছরের জন্য বর্তমান বিধি বিলুপ্ত হওয়ায় একবার লাইসেন্স প্রদান করা হলে তা আজীবন বলবৎ থাকিবে।
১৯ বিধিমালা ১১৮ক এর পর নতুন বিধিমালা ১১৮খ সংযোজিত হয়েছে। এই বিধিমালা হল সরবরাহ প্রদান হইতে সাময়িক বিরতির ঘোষণা বিষয়ে। অথাৎ কোন নিবন্ধিত ব্যাক্তি কেনা পণ্য বা সেবা সাময়িকভারে সরবরাহ বন্ধ রাখতে চাইলে তাকে অন্যুন ৪৮ ঘন্টা পূর্বে বিভাগীয় কর্মকতাকে অবগত করতে হবে।

২০ মূসক ফরম -৬.২.১ প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

২১ মূসক ফরম -৬.৩ প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

২২ মূসক ফরম -৬.৫ প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

২৩ মূসক ফরম -৬.৭ প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

২৪ মূসক ফরম-৬.৮ প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

২৫ মূসক ফরম -৯.২ প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

২৬ মূসক ফরম -১৮.১ ও ১৮.১ক প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

২৭ মূসক ফরম ১৮.৬ এর পরে নতুন ১৮.৭ ও ১৮.৮ সংযোজিত হয়েছে।

২৭.১ মূসক ফরম ১৮.৭ অব্যাহৃত বা ব্যবহার অনুপযোগী উপকরণ নিস্পত্তির আবেদনপত্র।
২৭.২ মূসক ফরম ১৮.৮ দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংসপ্রাপ্ত পণ্যের নিস্পত্তির আবেদনপত্র।

২৮ এসআরও ১৪৯-আইন/২০২০/১১০-মূসক তারিখ ১১ জুন ২০২০। এই এসআরও টি হল উৎসে মূসক কর্তন বিধিমালা। এই বিধিমালায় উৎসে মূসক কর্তনের নির্দেশনা দেওয়া আছে। পূর্বে উৎসে মূসক কর্তনের ক্ষেত্রে কেবল মাত্র ৩য় তফসীলের পণ্য ও সেবার ক্ষেত্রে উৎসে মূসক কর্তনের নির্দেশনা ছিল। কিন্তু নতুন বিধিমালা মোতাবেক ৩য় তফসীলের পণ্য ও সেবাসহ আরো ৪৩ সেবার ক্ষেত্রে উৎসে মূসক কর্তন বাধ্যাতামূলক করা হয়েছে। এই ৪৩ সেবার ক্ষেত্রে ১৫% মূসকসহ মূসক-৬.৩ চালান ইস্যূ করলেও ক্রেতা কর্তৃক উৎসে মূসক কর্তন করতে হবে।

২৯ সাধারন আদেশ-১০/মূসক/২০২০ তারিখ ১১ জুন ২০২০, মোতাবেক একজন উৎপাদনকারী কর্তৃক উপকরণ আমদানীর ক্ষেত্রে বিভাগীয় দপ্তর থেকে পরিশিষ্ট মোতাবেক প্রত্যায়ন পত্র কাস্টমস হাউজ বরাবর দাখিল করলে এটি ৫% এর পরিবর্তে ৪% পরিশোধ করে পণ্য চালান খালাস নিতে পারবে।

বিন্দু সাহা
সিনিয়র ভ্যাট কনসালটেন্ট
টিম লিডার ও ফাউন্ডার ভ্যাট হেল্প-লাইন বাংলাদেশ।
০১৭১৫০১৩৭৪০

2020-06-14T14:02:36+00:00 June 14th, 2020|0 Comments

Leave A Comment